ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 2 বার পঠিত

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন করে সরাসরি সামরিক হামলা না চালানোর ঘোষণা দিলেও মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে ওয়াশিংটন।
আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনটি সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এগুলো হলো—ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি নৌ অবরোধ বজায় রাখা, বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুনরায় শুরু করা এবং সীমিত পরিসরে স্থল অভিযান চালানো।
তৃতীয় বিকল্পের আওতায় ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের চেষ্টাও বিবেচনায় থাকতে পারে। দ্বীপটি দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি বাড়ালেও প্রতিটি বিকল্পের সঙ্গে বড় ধরনের ঝুঁকি জড়িয়ে রয়েছে। কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতে দেশটির অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টরের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সামরিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন ও অভিযোজন এনেছে ইরানও।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানে পূর্ণমাত্রার সামরিক হামলা কিংবা স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ, এ ধরনের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুলসংখ্যক সেনা হতাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়তে পারে এবং আঞ্চলিক সংঘাত বৃহত্তর যুদ্ধে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
Posted ৬:৫১ এএম | শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।