নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | 4 বার পঠিত

নেপাল-চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ গিরং সীমান্ত ক্রসিংয়ের সড়ক ভয়াবহ বন্যায় বিধ্বস্ত হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পুনর্নির্মাণ করেছে চীন। বুধবার সড়কটির শেষ অংশও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, হিমবাহ ধসে বরফ, পাথর ও কাদার প্রবল স্রোতে গিরং সীমান্ত ক্রসিং ও সংযোগ সড়কটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
সড়কটি দ্রুত চালু হওয়ায় দুর্গত এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি, ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধারকারী দল পৌঁছানো সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর উদ্ধার অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন আকাশযানের সহায়তায় নতুন করে আরও ১১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ টানেলে ৬০০ জনের বেশি শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানিয়েছেন, এসব প্রকল্প থেকে এখন পর্যন্ত ২৭৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নেপাল, ভারত ও চীনের যৌথ দল দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ, যাদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। দেশটি ডিএনএ পরীক্ষার বিশেষজ্ঞ, ড্রোন ও পানি পরিশোধন সরঞ্জামসহ অতিরিক্ত সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।
নেপাল জানিয়েছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর দেশটিতে ৪২ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেছেন, এই দুর্যোগ হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি স্পষ্ট করে দিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ভাষ্য, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে হিমবাহের অস্থিতিশীলতা থেকেই এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট
Posted ২:২০ এএম | বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।