ডেস্ক রিপোর্ট | রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 7 বার পঠিত

হরমুজ প্রণালিতে নৌমাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সংঘাতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজ দুটির প্রতিটিতে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল। আইআরজিসির দাবি, একটি জাহাজে বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। দ্বিতীয় জাহাজটিও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়।
তবে জাহাজ দুটির নাম ও তেলের উৎস তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নৌমাইনে আঘাতের কারণেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
আইআরএনএর দাবি, জাহাজ দুটি নিজেদের অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ও রাডার বন্ধ করে দিয়েছিল। এ ছাড়া ইরানের অনুমোদনহীন একটি পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করেছিল তারা।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, একটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় প্রণালিটি পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। অন্য জাহাজটি চলাচলের অক্ষম হয়ে পড়ে। তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করে তেহরান। এ পথে চলাচলের আগে জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি নিতে হবে বলে দাবি জানানো হয়।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি। সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ পথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে এ নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী আজমায়ি সতর্ক করে বলেন, যেসব জাহাজ তাদের নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখবে, সেগুলোকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
অন্যদিকে, ইরানের তেল রপ্তানি লক্ষ্য করে নৌপথে পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
Posted ৬:৩৬ এএম | রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।