| বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩ | প্রিন্ট | 129 বার পঠিত

প্রায়ই আমরা নিজেদের হাঁচি আটকানোর চেষ্টা করি। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই হাঁচি বিব্রতকর পরিস্থিতির কারণ হয়। যেমন -আমরা কোনো মিটিংয়ে থাকলে নিজেদের নাক-মুখ চেপে ধরে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি যেনো হাঁচিটা না আসে।
এভাবে কিন্তু আমরা হয়তো অনেকেই জানি না এতে গলা ফেটে যাওয়ার মতো মারাত্মক বিপদ হতে পারে। এবার এমনটাই হয়েছে ব্রিটিশ এক লোকের সাথে। হাঁচি আটকানোর চেষ্টা করতে গিয়ে গলা ফেটে গেছে তার।
২০১৮ সালে বিএমজে কেস রিপোর্টে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়, একজন লোক তার মুখ বন্ধ করে ও উভয় নাকের ছিদ্র বন্ধ করে হাঁচি আটকানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু হাঁচির এতই জোর ছিল যে তার গলা ফেটে যায়।
লোকটির বয়স ৩৪ বছর। তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। যদিও লোকটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সে সময় হাঁচি থামানোর চেষ্টা করার পর তার অদ্ভুত কিছু লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। পরে তার খাবার গিলতে কষ্ট হতো, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন ও তার ঘাড় ফুলে যেতে থাকে। এমন অবস্থায় তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
চিকিৎসকরা জানায়, বাতাসের প্রবাহ তার গলার টিস্যুতে আটকে গেছে। পরবর্তীতে এই কারণে তার গলা ফেটে গেছে। তবে এরকম স্বতঃস্ফূর্ত ফেটে যাওয়ার ঘটনা খুবই বিরল হলেও বমি, রিচিং, ভারী কাশি বা কোনো ধরনের আঘাতের কারণে এমনটা ঘটে থাকতে পারে।
পরে অবশ্য ঘাড়ের গভীর সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে লোকটিকে মেডিকেল পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়েছিল। পর্যবেক্ষণের সময় রোগীকে একটি ফিডিং টিউব ও অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এতে তার সুস্থ হতে দুই সপ্তাহ সময় লাগে। সুস্থ হয়ে তিনি নরম খাবার খাওয়া শুরু করেন।
গবেষণাপত্রটির লেখক বলেন, ‘নাক ও মুখ বন্ধ করে হাঁচি আটকানো একটি বিপজ্জনক কৌশল। মানুষের এটি এড়িয়ে চলা উচিত। এটি অনেক জটিলতার কারণ হতে পারে। যেমন, সিউডোমেডিয়াস্টিনাম (উভয় ফুসফুসের মধ্যে বুকে আটকে থাকা বাতাস), টাইমপ্যানিক মেমব্রেনের ছিদ্র (ছিদ্রযুক্ত কানের পর্দা) ও এমনকি সেরিব্রাল অ্যানিউরিজম (মস্তিষ্কের বেলুনিং রক্তনালি) ফেটে যেতে পারে।’
সূত্র : এনডিটিভি
Posted ৮:৩৩ এএম | বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | admin
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।