ডেস্ক রিপোর্ট | বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 1 বার পঠিত

লালচে খোসা আর নরম কাঁটার মতো আবরণ—দেখতে বেশ আকর্ষণীয় বিদেশি ফল রাম্বুটান। খোসা ছাড়ালে বেরিয়ে আসে সাদা, নরম ও রসালো শাঁস। মিষ্টি স্বাদের এই ফল শুধু মুখরোচকই নয়, এতে রয়েছে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানও।
রাম্বুটানে খাদ্যআঁশ, বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। ফলে পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।
হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়ক
রাম্বুটানের খাদ্যআঁশ হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা ও নিয়মিত মলত্যাগে ভূমিকা রাখে খাদ্যআঁশ।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ধরে রাখতে পারে
রাম্বুটানে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও উদ্ভিজ্জ যৌগ শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধব্যবস্থাকে সহায়তা করতে পারে। তবে কোনো রোগ সারানোর ওষুধ হিসেবে এই ফলকে বিবেচনা করা উচিত নয়।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
শরীরে তৈরি হওয়া ফ্রি র্যাডিকেল কোষের ক্ষতি করতে পারে। রাম্বুটানে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও উদ্ভিজ্জ যৌগ অক্সিডেটিভ চাপ মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে। এতে গ্যালিক অ্যাসিডের মতো কিছু উপকারী যৌগও রয়েছে।
হাড় ও দাঁতের জন্য পুষ্টি জোগায়
রাম্বুটানে থাকা ফসফরাসসহ বিভিন্ন খনিজ হাড় ও দাঁতের স্বাভাবিক গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু রাম্বুটান খেলেই হাড় বা দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে—এমন নয়। এর সঙ্গে প্রয়োজন সুষম ও বৈচিত্র্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস।
কতটা রাম্বুটান খাবেন?
পুষ্টিকর হলেও রাম্বুটানে প্রাকৃতিক শর্করা রয়েছে। তাই একসঙ্গে অনেক বেশি না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। অন্যান্য ফলের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় রাম্বুটান রাখা যেতে পারে।
ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত জটিলতা থাকলে নিয়মিত রাম্বুটান খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
সবশেষে: রাম্বুটান নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর একটি ফল। তবে কোনো একটি ফলকে ‘সুপারফুড’ হিসেবে না দেখে সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই এটি খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।
Posted ২:৩৬ এএম | বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।