ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 1 বার পঠিত

তিউনিসিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। দেশটির ন্যাশনাল গার্ড রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার রাতে জারজিস উপকূল থেকে প্রায় ১৪ নটিক্যাল মাইল দূরে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে ১৫ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ন্যাশনাল গার্ডের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রোববার আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ায়। নিখোঁজ দুজনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
এদিকে নৌকাডুবির ঘটনায় তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী শহর বেন গেরদানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এবং বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন জ্বালান। নিহত ও নিখোঁজদের মধ্যে ১৪ জনই ওই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রে তিউনিসিয়া অন্যতম প্রধান যাত্রাস্থল। দেশটির উপকূল ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপ থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী অভিবাসীদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ রুট।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অভিবাসন রুট। ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে এ পথে অভিবাসীদের মৃত্যু ও নিখোঁজের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত এ পথে অন্তত ৯১৪ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন।
অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ২০২৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তিউনিসিয়ার ২৫৫ মিলিয়ন ইউরোর একটি চুক্তি হয়। এর প্রায় অর্ধেক অর্থ অনিয়মিত অভিবাসন মোকাবিলায় তিউনিসিয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বরাদ্দ করা হয়েছিল। ইতালির ডানপন্থী সরকারও ওই চুক্তিকে জোরালোভাবে সমর্থন করে।
সূত্র: আরব নিউজ
Posted ৭:৪০ এএম | সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।