বিশ্ব ডেস্ক | মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 168 বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের আগ পর্যন্ত গত চার মাসে অন্তত তিন দফায় ইরান থেকে গোপনে জেট ফুয়েল আমদানি করেছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য ও বন্দর-সংক্রান্ত নথির ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এশিয়ার আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন চালানের সর্বশেষটি ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ইয়াঙ্গুনের কাছে থিলাওয়া বন্দরের মিয়ান অয়েল টার্মিনালে এসে পৌঁছায়। নিক্কেই যে বন্দরের নথি পর্যালোচনা করেছে, তাতে দেখা যায়, ‘এমভি রিফ’ নামে সরবরাহকারী জাহাজটি তাদের কাগজপত্রে জ্বালানির উৎস ইরাক উল্লেখ করলেও এর প্রকৃত উৎস ছিল ইরান। তুলনামূলক ছোট এ জাহাজটি ইয়াঙ্গুন নদীর অগভীর ও কাদাময় পানিপথে চলাচলের উপযোগী এবং আনুমানিক ১ লাখ ৪৬ হাজার ব্যারেল জ্বালানি পরিবহন করতে সক্ষম। চলমান গৃহযুদ্ধে বিমান হামলার যে মাত্রা দেখা যাচ্ছে, তাতে জান্তার হাতে ১২০ থেকে ১৫০ দিন চলার মতো জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ইরান মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারকে ড্রোন প্রযুক্তি সরবরাহ করে আসছে। পাশাপাশি গত তিন বছরে মিয়ানমারকে ১২ থেকে ১৮ লাখ টন ইউরিয়া সরবরাহ করেছে দেশটি।
মিয়ানমারের নিজস্ব তেল পরিশোধন সক্ষমতা নেই বললেই চলে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পরপরই দেশটিতে পেট্রোলের দাম ৮০ কিয়াত (০.০৩৮ ডলার) বেড়েছে। এতে ৭ মার্চ থেকে জ্বালানি রেশনিং ঘোষণা করে জান্তা সরকার। শিল্প খাতের পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দেশটির নিজস্ব মজুতে এখন মাত্র ৩০ দিনের প্রয়োজন মেটানোর মতো জ্বালানি আছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মিয়ানমারবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড হর্সি বলেন, জান্তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কম থাকায় বৈশ্বিক তেলের দামে যে কোনো দীর্ঘস্থায়ী উল্লম্ফন নেপিদোর অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলবে।
Posted ১২:৪৬ পিএম | মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | admin
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।