| বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩ | প্রিন্ট | 73 বার পঠিত

ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে সেভিয়ার বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও জিততে পারল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। জোড়া আত্মঘাতী গোল হজম করে নিজেদের মাঠে ইউনাইটেড ড্র করল ২-২ গোলে। একই রাতের আরেক ম্যাচে ঘরের মাঠে কষ্টে জিতেছে জুভেন্টাস। সিরি ‘আ’র সবচেয়ে সফলতম দলটি হারিয়েছে পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং লিসবনকে। অন্য ম্যাচে ফেইনুর্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে গেছে এএস রোমা। ম্যাটস ওইফেরেরে ৫৩ মিনিটের মাথায় করা গোলটিই গড়ে দিয়েছে পার্থক্য।
শক্তি-সামর্থ্যে সেভিয়ার চেয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এগিয়ে থাকা দল। কিন্তু ইউরোপা লিগ মানেই তো সেভিয়া। প্রতিযোগিতার সবচেয়ে সফলতম দল বলে কথা। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬ বার ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতেছে আন্দালুসিয়ান ক্লাবটি। তাই ইউনাইটেড-সেভিয়া ম্যাচে নিরঙ্কুশ ফেবারিট বলা যাচ্ছিল না কাউকেই।
তবে এরিক টেন হাগের বদলে যাওয়া ইউনাইটেডের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে সময় লাগল মাত্র ২১ মিনিট। ততক্ষণে ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটির লিড যে ২-০ গোলের। শীতকালীন দলবদলে ধারে খেলতে আসা অস্ট্রিয়ান ফরোয়ার্ড মার্সেল সাবিতজারের জোড়া গোলে প্রথমার্ধে দাপট ইউনাইটেডরই।
প্রথমার্ধে তৈরি হওয়া সেই সুর অবশ্য কাটল দ্বিতীয়ার্ধে। ইউরোপার চেনা পরিবেশই যেন ম্যাচের শেষ ভাগে জাগিয়ে তুলল সেভিয়াকে। টাইরেল মালাসিয়ার আত্মঘাতী গোলে ৮৪ মিনিটে ব্যবধান কমায় সেভিয়া। যোগ করা সময়ে পাওয়া পরের গোলটিও ছিল আত্মঘাতী। এবার গোল আসল ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুয়ের কাছ থেকে। শেষ পর্যন্ত জিততে না পারলেও দুর্দান্ত এ ড্রয়ে ঘরের মাঠে ইউনাইটেডের বিপক্ষে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই খেলতে নামবে সেভিয়া।
এদিন প্রথমার্ধের খেলায় দুই দলের পার্থক্য বোঝা যাবে একটা পরিসংখ্যানে। শুরুর ৪৫ মিনিটে দুই দলই ৭টি করে শট নেয়। ইউনাইটেডের ৫টি শটই যেখানে লক্ষ্যে ছিল, সেখানে সেভিয়ার লক্ষ্যে শট ছিল মাত্র ১টি।
শটের হিসাব বাদ দিলেও প্রথমার্ধে দারুণ আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে ইউনাইটেড। মূলত ইউনাইটেডের গতিময় ফুটবলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছিল সেভিয়া। শুরুতে পিছিয়ে গিয়ে মনোযোগও হারায় তারা। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে দাভিদ দি হেয়া দারুণ নৈপুণ্যে সেভিয়ার গোলের প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে না দিলে ম্যাচের পরিস্থিতি তখনই বদলে যেতে পারত।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দাপট ছিল ইউনাইটেডের। ব্রাজিলিয়ান তারকা আন্তনির শট পোস্টে না লাগলে ব্যবধান ৩-০ করতে পারত ‘রেড ডেভিল’রা। ইউনাইটেড না পারলেও সেভিয়া অবশ্য পেরেছে। ম্যাচের শেষ ভাগে দারুণভাবে ফিরে আসে তারা। ফিরিয়ে দেয় দুটি গোলই। যদিও গোল দুটিই ছিল একরকম উপহার হিসেবে পাওয়া। গোল দুটিতেই যে শেষ স্পর্শ ছিল ইউনাইটেডের খেলোয়াড়দের। প্রথমে ৮৪ মিনিটে মালাসিয়া এরপর ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে নিজেদের জালে বল জড়ান ম্যাগুয়ের। এই দুই গোলে শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে টেন হাগ ও তাঁর দলকে।
Posted ১১:২৯ পিএম | বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
| admin
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।