বিশ্ব ডেস্ক | মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | 4 বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইসলামিক সেন্টারে বন্দুক হামলার ঘটনাটিকে ‘হেট ক্রাইম’ বা ঘৃণামূলক অপরাধ হিসেবে ধরে অনুসন্ধান করছে পুলিশ। এটি এমন সময়ে ঘটলো যখন দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ইসলামোফোবিক বা ইসলামভীতি সংক্রান্ত ঘটনা বাড়ছে।
স্থানীয় সময় সোমবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো ইসলামিক সেন্টারে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) বলছে, গত বছর তারা ‘মুসলিম তাই বৈষম্যের শিকার’ হওয়ার ৮ হাজার ৬৮৩টি অভিযোগ পেয়েছে। ১৯৯৬ সালে এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শুরুর পর থেকে এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।
সংস্থাটি তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ ধরনের বৈষম্যের অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে।
ইসলামিক সেন্টারের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক বন্দুকধারীর সুইসাইড নোট পেয়েছে সান ডিয়েগো পুলিশ। এর বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ওই চিরকুটে মসজিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকির কথা উল্লেখ নেই। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছেন, চিরকুটে ‘রেসিয়াল প্রাইড’ সংক্রান্ত লেখা আছে। রেসিয়াল প্রাইড বলতে সাধারণত জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বকে বোঝানো হয়।
সোমবারের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে সিএআইআর। এক বিবৃতিতে সংস্থাটির সান ডিয়েগো শাখার নির্বাহী পরিচালক তাজিন নিজাম আহ্বান জানান, প্রার্থনায় অংশ নেওয়া বা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় কাউকে যেন নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হতে না হয়।
নিজেদের ওয়েবসাইটে ইসলামিক সেন্টারটিকে সান ডিয়েগো কাউন্টির সবচেয়ে বড় মসজিদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনার পর একটি গাড়ির ভেতর থেকে ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, তারা হামলার পর আত্মহত্যা করেছেন।
সান ডিয়েগোর পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াহল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি হেট ক্রাইম হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। চরম উগ্র ও বিদ্বেষমূলক কথাবার্তার সঙ্গে ঘটনাটির নিশ্চিতভাবেই যোগসূত্র আছে।’
Posted ৭:০৭ পিএম | মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।