বিনোদন ডেস্ক | সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 22 বার পঠিত

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উপস্থিতি। ৯ম নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (এনআইএফএফ) জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। নির্বাচিত চলচ্চিত্র দুটি হলো– শাহরিয়ার আজাদের ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’ এবং ফখরুল আলমের ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’।
শাহরিয়ার আজাদ নির্মিত ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’ মূলত স্মৃতি আর অনুভূতির গল্প। একজোড়া কবুতরকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে নির্মাতার শৈশব।
নিজের কাজ প্রসঙ্গে শাহরিয়ার আজাদ বলেন, যশোর জেলার ঝিকরগাছার প্রত্যন্ত এক গ্রামীণ পরিবেশেই তাঁর বেড়ে ওঠা। সেই শৈশবের স্মৃতি, অনুভূতি আর দেখাশোনা বাস্তবতারই প্রতিফলন ঘটেছে ছবিটিতে। গ্রামীণ জনজীবন, প্রকৃতি এবং মানুষের ভেতরের জটিল আবেগ– সব মিলিয়ে একটি সংবেদনশীল বয়ান তৈরি হয়েছে এই স্বল্পদৈর্ঘ্যে।
অন্যদিকে, ফখরুল আলমের ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’ একটি নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র। গল্পে দেখানো হয়েছে স্বর্গ ও পৃথিবীর মাঝামাঝি এক রহস্যময় অবস্থানে আটকে থাকা একটি আত্মার যাত্রা। সেই আত্মা ফিরে দেখে নিজের জীবনের দুটি ভিন্ন অধ্যায়।
এক অধ্যায়ে সে একজন লেখক– যে মানুষের গল্প খুঁজে বেড়ায়, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার ভাষা নির্মাণে ব্যস্ত। অন্য অধ্যায়ে সে একজন পাদ্রী– যুদ্ধবিধ্বস্ত সময়ের নীরব সাক্ষী, যে মানুষের যন্ত্রণা, অপরাধবোধ আর স্বীকারোক্তির সঙ্গে প্রতিদিন মুখোমুখি হয়। স্মৃতি, অনুশোচনা ও অস্তিত্বের প্রশ্নকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে ছবিটির বয়ান। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন শরিফ সিরাজ ও খালিদ হাসান।
প্রসঙ্গত, আগামী ২ থেকে ৬ এপ্রিল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে ৯ম নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। সেখানে বাংলাদেশের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্বাচিত হওয়া দেশের স্বাধীন চলচ্চিত্রচর্চার জন্য নিঃসন্দেহে এক আনন্দের খবর।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উপস্থিতি। ৯ম নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (এনআইএফএফ) জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। নির্বাচিত চলচ্চিত্র দুটি হলো– শাহরিয়ার আজাদের ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’ এবং ফখরুল আলমের ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’।
শাহরিয়ার আজাদ নির্মিত ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’ মূলত স্মৃতি আর অনুভূতির গল্প। একজোড়া কবুতরকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে নির্মাতার শৈশব।
নিজের কাজ প্রসঙ্গে শাহরিয়ার আজাদ বলেন, যশোর জেলার ঝিকরগাছার প্রত্যন্ত এক গ্রামীণ পরিবেশেই তাঁর বেড়ে ওঠা। সেই শৈশবের স্মৃতি, অনুভূতি আর দেখাশোনা বাস্তবতারই প্রতিফলন ঘটেছে ছবিটিতে। গ্রামীণ জনজীবন, প্রকৃতি এবং মানুষের ভেতরের জটিল আবেগ– সব মিলিয়ে একটি সংবেদনশীল বয়ান তৈরি হয়েছে এই স্বল্পদৈর্ঘ্যে।
অন্যদিকে, ফখরুল আলমের ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’ একটি নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র। গল্পে দেখানো হয়েছে স্বর্গ ও পৃথিবীর মাঝামাঝি এক রহস্যময় অবস্থানে আটকে থাকা একটি আত্মার যাত্রা। সেই আত্মা ফিরে দেখে নিজের জীবনের দুটি ভিন্ন অধ্যায়।
এক অধ্যায়ে সে একজন লেখক– যে মানুষের গল্প খুঁজে বেড়ায়, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার ভাষা নির্মাণে ব্যস্ত। অন্য অধ্যায়ে সে একজন পাদ্রী– যুদ্ধবিধ্বস্ত সময়ের নীরব সাক্ষী, যে মানুষের যন্ত্রণা, অপরাধবোধ আর স্বীকারোক্তির সঙ্গে প্রতিদিন মুখোমুখি হয়। স্মৃতি, অনুশোচনা ও অস্তিত্বের প্রশ্নকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে ছবিটির বয়ান। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন শরিফ সিরাজ ও খালিদ হাসান।
প্রসঙ্গত, আগামী ২ থেকে ৬ এপ্রিল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে ৯ম নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। সেখানে বাংলাদেশের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্বাচিত হওয়া দেশের স্বাধীন চলচ্চিত্রচর্চার জন্য নিঃসন্দেহে এক আনন্দের খবর।
Posted ৭:৪৬ এএম | সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।