বিশ্ব ডেস্ক | শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 120 বার পঠিত

প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষের মধ্যেই শুক্রবার পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। ফলে আগামী বছরের শুরুতেই দেশটিতে সাধারণ নির্বাচনের পথ খুলে গেল।
গত আগস্টে নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদে বসেন অনুতিন চার্নভিরাকুল। তিনি রক্ষণশীল দল ভুমজাইথাই পার্টির নেতা। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় তিন মাসের মাথায় তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন।
ধারণা করা হয়েছিল অনুতিন বড়দিনের পর পার্লামেন্ট ভেঙে দেবেন। তবে শুক্রবার রয়াল গেজেটে প্রকাশিত এক ডিক্রিতে বলা হয়, নতুন করে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশে প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়া হলো।
রয়াল গেজেট সরকারপ্রধানের ভাষ্য তুলে ধরে জানায়, সরকার এখন সংখ্যালঘু প্রশাসন আর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নানা সংকটে জর্জরিত। এই অবস্থায় ধারাবাহিক, দক্ষ ও স্থিতিশীলভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে পারছে না সরকার। তাই যথাযোগ্য সমাধান হলো পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করা।
থাই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্তটি এমন সময় নিলেন যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি উপেক্ষা করে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষ চলছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
Posted ২:১৭ এএম | শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।