বাংলাদেশ ডেস্ক | বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 67 বার পঠিত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখায় সংরক্ষিত লকারে শুধুমাত্র একটি ছোট পাটের ব্যাগ পাওয়া গেছে। অগ্রণী ব্যাংকের মতিঝিলস্থ প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনার নামে সংরক্ষিত দুটি লকারে ৮৩১ দশমিক ৬৭ ভরি (৯৭০৭ দশমিক ১৬ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।
গত মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাসুদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ওই দুটি ব্যাংকের তিনটি লকার খুলা হয়।
এরপর দুদক তিনটি লকারে সংরক্ষিত মালামালের একটি সিজার লিস্ট (তালিকা) তৈরি করে। ওই তালিকায় পূবালী ব্যাংকের লকারে পাওয়া পাটের ছোট ব্যাগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন ওই তথ্য জানিয়েছেন।
দুদক জানায়, অগ্রণী ব্যাংকে সংরক্ষিত দুটি লকারে পাওয়া ৮৩১ দশমিক ৬৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে স্বর্ণের চেইনসহ নানা আইটেম রয়েছে। এর মধ্যে তাদের স্মৃতি বিজড়িত কিছু অলংকারও রয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনার প্রয়াত ছোট ভাই শেখ কামালের হাতের আঙ্গুলের সোনার আংটিও রয়েছে। শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ব্যবহৃত নানা অলংকারও রয়েছে।
তিনটি লকারে প্রাপ্ত মালামাল:
পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখার গ্রাহকের নাম: শেখ হাসিনা ও লকার নাম্বার ১২৮ -এ একটি খালি ছোট পাটের ব্যাগ পাওয়া যায়।
অগ্রণী ব্যাংক প্রিন্সিপাল শাখায় গ্রাহকের নাম: শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এর নামে লকার নং: ৭৫১/বড়/১৯৬ খোলার পর আনুমানিক ৪৯২৩.৬০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।
অগ্রণী ব্যাংক প্রিন্সিপাল শাখায় গ্রাহকের নাম: শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সিদ্দিকী এর নামে লকার নং: ৭৫৩/বড়/২০০ খোলার পর আনুমানিক ৪৭৮৩.৫৬ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।
জানা গেছে, শেখ হাসিনা ২০০৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুটোকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তার নামে সংরক্ষণ করা ওই তিনটি লকার উল্লেখ করেছিলেন। ওই তথ্য থেকে দুদক আদালতের আদেশ অনুযায়ী লকারগুলো খুলেছে। শেখ হাসিনার সম্পদ যাচাই করতে গিয়ে ওই লকার তিনটির সন্ধান পায় দুদক।
লকার তিনটির মালামাল ইনভেন্টরি করে দুদক ব্যাংক দুটোর সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপকের জিম্মায় রেখেছেন।
গতকাল এক ব্রিফিংয়ে দুদক মহাপরিচালক মো আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শেখ হাসিনা দুদকে যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছেন সেখানে উল্লেখ করা স্বর্ণালঙ্কার লকারের স্বর্ণালংকারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এতে লকারে অতিরিক্ত স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গেলে সেগুলো অবৈধ বলে গণ্য হবে।
গতকাল অফিস থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, লকারের স্বর্ণালংকার উদ্ধারের ক্ষেত্রে এনবিআর একটি মাত্র অংশ ছিল। এক্ষেত্রে তাদের কোন সহায়তার প্রয়োজন হবে কিনা তার জন্য লকার খুলার সময় এনবিআর কর্মকর্তার উপস্থিতি প্রয়োজন ছিল।
Posted ১২:১৭ পিএম | বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।