নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫ | প্রিন্ট | 270 বার পঠিত

যশোরের জাফর হোসেনসহ কয়েকজনকে মিথ্যা প্রলোভনে রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে মানবপাচার চক্রের চার সদস্যের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২৪ জুন) আদালতে মামলা হয়েছে।
জাফরের ভাই যশোর সদর উপজেলার বড় মেঘলা গ্রামের খাইরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান এ মামলাটি করেছেন।
জাফরসহ অনেকেই বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে কাজ করছেন। তারা এখন একটি বাঙ্কারে রয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে যশোরের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ড. মো. আতোয়ার রহমান বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডি পুলিশকে আদেশ দিয়েছেন।
বাদীর আইনজীবী ব্যারিস্টার কাজী মো. রেজওয়ান সেতু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন- নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া পশ্চিমপাড়ার আশরাফ মোল্যার ছেলে ও ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম আবুল হাসান, তার পার্টনার ঢাকার দক্ষিণখান থানার আশকোন এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে ফাবিহা জেরিন তামান্না, চট্টগ্রামের লোহাগড়া থানার মাঝেরপাড়া এলাকার মো. ইসহাকের ছেলে আলমগীর হোসেন দেলোয়ার ও ঢাকার নয়াপল্টন এলাকার মাহাতাব সেন্টার ভবনের ভ্যাকেশন প্লানারের মালিক শফিকুর রহমান।
বজলুর রহমান মামলায় উল্লেখ করেছেন, আসামি এসএম আবুল হাসান এবং ফাবিহা জেরিন তামান্না তার ভাই জাফর হোসেনকে রাশিয়ায় ক্লিনার অথবা শেফের অ্যাসিসেন্ট পদে মাসিক এক লাখ ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোট সাত লাখ ১০ হাজার টাকা নেন। বলা হয়, সরাসরি রাশিয়ায় যাওয়া যাবে না। প্রথমে তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর সৌদি আরব থেকে ভিসা সংগ্রহ করে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে।
২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর উল্লিখিত আসামিরা জাফর হোসেনসহ চাকরিপ্রত্যাশী ১০ জনকে প্রথমে সৌদি আরবে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে তাদের গ্রহণ করেন আসামি শফিকুর রহমান। ২ মাস থাকার পর একই বছরের ২২ ডিসেম্বর জাফর হোসেনসহ ১০ জনকে রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গ শহরে নিয়ে যান শফিকুর রহমান।
Posted ৬:০৯ পিএম | মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Best BD IT
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।