খেলাধুলা ডেস্ক | মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 60 বার পঠিত

বিপিএলের একাদশ আসর থেকে লভ্যাংশের ভাগ দেওয়ার নিয়ম চালু করেন বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ। গত বছর টিকিট বিক্রির আয়ের একাংশ সাত দলের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। এবার থেকে লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়তে পারে। মোট লাভের ৩০ শতাংশ দেওয়ার কথা ফ্র্যাঞ্চাইজিদের।
যদিও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কর্মকর্তারা মনে করছেন এবার বাজার মন্দা থাকায় তেমন একটা লাভ হবে না। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের খুশি হওয়ার মতো সংবাদ এখনই দিতে পারছেন না তারা। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা আশা করছে, বিপিএলের লভ্যাংশের ভাগ সম্মানজনক হবে। দেড় থেকে দুই কোটা টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখেন তারা।
বিসিবির সাবেক পরিচালক ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বিপিএলকে দেশের ক্রিকেটের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের লভ্যাংশের ভাগ দিতে রাজি ছিলেন না তারা। ফারুক আহমেদ বিসিবি সভাপতি হয়ে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কথা বিবেচনা করে টিকিট বিক্রির লভ্যাংশ দেন। সুপার ফোরে খেলা চার দলকে দেওয়া হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা করে। বাকি তিন দলের প্রতিটিকে দেওয়া হয়েছে ৪৮ লাখ টাকা। বিসিবির বর্তমান কমিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দিয়েছে পাঁচ বছরের জন্য।
এবার থেকে রাজস্বের ভাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট বোর্ড। আয়-ব্যয় হিসাব করার পর লাভের ৩০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। রংপুর রাইডার্সের প্রধান নির্বাহী শানিয়ান তানিন বলেন, ‘বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী লাভের ভাগ পাওয়ার কথা। আমরা আশা করছি, লভ্যাংশ পাব। আয় থেকে ব্যয় বাদ দেওয়ার পর লভ্যাংশ দেওয়া হবে।’
বিপিএলের নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক তৌহিদের প্রত্যাশা প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দেড় থেকে দুই কোটি টাকা পেতে পারে।
বিপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম টাকায় মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি করা হয়েছে এবার। ১১ কোটি ১০ লাখ টাকায় স্বত্ব কিনেছে মিডিয়াকম। মাঠের বিজ্ঞাপনী স্বত্ব সেভাবে বিক্রি হয়নি। বিপিএলের টাইটাল স্পন্সর বিক্রি হয়েছে শেষ মুহূর্তে। বসুন্ধরা গ্রুপ নিজেদের আগ্রহ থেকে স্পন্সর দিয়েছে। টিভি স্বত্ব, স্পন্সর রাইট থেকে সাকল্যে ১৫ কোটি টাকার মতো পেতে পারে বিসিবি।
টিকিট বিক্রি হয়েছে ৬ কোটি ২০ লাখ টাকার। মধুমতি ব্যাংক থেকে স্পন্সর হিসেবে পাওয়া যাবে এক কোটি টাকা। ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি হিসেবে আরও ১২ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। সব মিলিয়ে ৩৪ কোটি টাকার মতো আয় হতে পারে বিসিবির। টিভি প্রডাকশন ও বিপিএল ব্যবস্থাপনায় মোটা টাকা ব্যয় হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ প্রাইজমানির জন্য সোয়া চার কোটি টাকা খরচ হবে। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত পুরস্কারের অর্থ আছে। তাই বিসিবি কর্মকর্তারা মনে করেন দ্বাদশ বিপিএল থেকে লাভবান হবে না বিসিবি।
এ ব্যাপারে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘এবার তো খুব বেশি খরচ হয়নি। হিসাব করার পর বুঝতে পারব কত টাকা লাভ হয়েছে। এরপর বলতে পারব ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কেমন লভ্যাংশ পাবে।’ তিনি জানান, গত বছরের মতো এবারও সুপার ফোরের দলগুলো কিছুটা বেশি লভ্যাংশ পাবে।
Posted ৪:৪৬ এএম | মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।