বিশ্ব ডেস্ক | রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | 3 বার পঠিত

কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসের সংকটজনক পরিস্থিতির মুখে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই ভাইরাসে আফ্রিকার দেশটিতে ৮০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
ভাইরাসটির বর্তমান ধরনের কোনো প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন নেই বলে জানিয়েছেন কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ অবস্থায় রোববার ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ভাইরাসটির ‘বান্ডিবুগিও’ ধরনের প্রাদুর্ভাবটির কারণে ‘উদ্বেগজনক বৈশ্বিক পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালা অনুযায়ী, এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা।
আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ও এর বিস্তৃতির সঠিক চিত্রটি এখনো স্পষ্ট নয়। স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে এখনো মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেনি। তবে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’ বা এমএসএফ জানিয়েছে, তারা বৃহৎ পরিসরে জরুরি কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে- জ্বর, রক্তক্ষরণ ও বমি। ধারণা করা হয়, ইবোলা ভাইরাসটি প্রথম বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল। এতে আক্রান্ত হলে মানুষের শরীরে রক্তক্ষরণ এমনকি অঙ্গ বিকল হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত অর্ধশতাব্দীতে ইবোলার যতগুলো প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে, সেগুলোতে আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর হার ছিল ২৫ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত।
ভাইরাসটি একজন থেকে আরেকজন মানুষের শরীরে লালা, ঘাম বা রক্তের মতো তরল পদার্থের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত হওয়ার পর লক্ষণ প্রকাশ পেতে ২১ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
গত ৫০ বছরে ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা প্রযুক্তির যথেষ্ট উন্নতি হওয়া সত্ত্বেও আফ্রিকায় ইবোলায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ মারা গেছেন। গত বছরের আগস্টেও কঙ্গোর মধ্যাঞ্চলে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।
Posted ৪:১১ এএম | রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।