বাণিজ্য ডেস্ক | রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | 0 বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যে নতুন যে শুল্ককাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে তাতে মার্কিন তুলায় উৎপাদিত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের একটি অংশ বাড়তি শুল্ক থেকে অব্যাহতি পেতে পারে। তবে তা নির্ভর করবে তুলা আমদানির প্রবণতার ওপর।
জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি ইস্যুতে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্টের স্মারকে বলা হয়, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ট্যারিফ রেট কোটা (টিআরকিউ) চালু করবেন। এর উদ্দেশ্য হবে দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বেশি আমদানি করতে উৎসাহিত করা; যাতে তারা এমন অন্যান্য উৎসের তুলার ওপর কম নির্ভরশীল হয়, যেগুলোতে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের ঝুঁকি বেশি।
এতে বলা হয়, এই কোটা এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে; যাতে বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মার্কিন তুলা আমদানির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই রপ্তানি করতে পারে।
নোটিশে বলা হয়, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) প্রাথমিক ৩ বছর মেয়াদের একটি টিআরকিউ প্রতিষ্ঠা করবে; যাতে এসব দেশ মার্কিন তুলা আমদানির ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণ টেক্সটাইল এবং পোশাক ৩০১ অনুচ্ছেদের আওতায় অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকরতে পারে।
ইউএসটিআরের পক্ষ থেকে এই টিআরকিউ তৈরি না করা পর্যন্ত বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার নির্দিষ্ট টেক্সটাইল ও পোশাক আমদানির ওপর স্মারকের ১(ক) ধারায় প্রদত্ত প্রযোজ্য ৩০১ অনুচ্ছেদের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ থাকবে। ইউএসটিআর এই অনুচ্ছেদের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধন করবে। তার আগেই ইউএসটিআরের পক্ষে টিআরকিউ কার্যকর হওয়ার তারিখ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করবে।
জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর করতে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশ থেকে পণ্য আমদানিতে নতুন করে শুল্কপুনর্নির্ধারণ করেছে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর)। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় নতুন এই শুল্কের ঘোষণা দেয়।
নতুন ঘোষণায় বাংলাদেশের শুল্ক হার ১০ শতাংশ। তবে রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীন, ভিয়েতনামের পণ্যে শুল্কহার বাড়িয়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক সে দেশের সুপ্রিম কোর্টে অবৈধ ঘোষণা হলে বাণিজ্য আইনের আওতায় সব দেশের জন্য বাড়তি ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মেয়াদ শেষের দিনে জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুতে বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হয়। এই শুল্ক পণ্যের ওপর সাধারণভাবে আরোপিত শুল্কের অতিরিক্ত।
Posted ৫:৪৮ পিএম | রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।