মঙ্গলবার ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে
শিরোনাম >>

অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের রাখতে পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হচ্ছে ‘হোল্ডিং সেন্টার’

বিশ্ব ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   4 বার পঠিত

অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের রাখতে পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হচ্ছে ‘হোল্ডিং সেন্টার’

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সংগঠিত করতে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এ বিষয়ে গত ২৩ মে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের ফরেনার্স শাখা থেকে সব জেলা প্রশাসকের কাছে জরুরি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

রাজ্য সরকারের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও অনুপ্রবেশ রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই, সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব কেন্দ্রে রাখা হবে।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবৈধ অনুপ্রবেশ মোকাবিলায় ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতির কথা বলে আসছেন। তার ভাষায়, প্রথমে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করা, পরে সরকারি নথি থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং সবশেষে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো-এই তিন ধাপেই কাজ এগোবে।

এর আগে ২০২৫ সালে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করে ফেরত পাঠানোর নির্দেশিকা জারি করেছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সে সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি বলে বিজেপির অভিযোগ। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহভাজন বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের আটক করে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ রাখা যাবে। এছাড়া যারা আগে থেকেই আটক অবস্থায় রয়েছেন এবং যাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাদেরও এসব কেন্দ্রে রাখা হবে।

প্রশাসনের দাবি, ‘হোল্ডিং সেন্টার’ ও ‘ডিটেনশন সেন্টার’-এর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ডিটেনশন সেন্টার সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি আটককেন্দ্র, যেখানে আদালত বা বিদেশি ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে অবৈধ বিদেশিদের রাখা হয়। অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) প্রক্রিয়ার পর বহু মানুষকে এ ধরনের কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। অন্যদিকে ‘হোল্ডিং সেন্টার’কে প্রশাসন সাময়িক ট্রানজিট কেন্দ্র হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। অর্থাৎ ফেরত পাঠানোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে সেখানে রাখা হবে আটক ব্যক্তিদের।

তবে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মানবাধিকার, নাগরিকত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ-এসব ইস্যুকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

Facebook Comments Box

Posted ১১:১৭ এএম | মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।