মঙ্গলবার ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে
শিরোনাম >>

জুনের শেষ দিকে চীন সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   3 বার পঠিত

জুনের শেষ দিকে চীন সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী মাসের শেষ দিকে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৩ থেকে ২৬ জুন সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করে সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে ঢাকা ও বেইজিং।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত রোববার বেইজিং থেকে সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ করে সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়। এ নিয়ে কাজ করছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং বাস্তবমুখী সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

নাম না প্রকাশের শর্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, জুনের ২৩ তারিখ সফরের প্রস্তাব এসেছে বেইজিং থেকে। নোট ভারবালের মাধ্যমে এ বার্তা দেওয়া হয়েছে। খলিলুর রহমানের সফর নিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় তাঁর দেশ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পারস্পরিক আস্থা জোরদার, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগকে যুক্ত করা এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগের মতো খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও নিবিড় করা হবে। তিনি বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান শিল্প খাতগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এমনকি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি। ওয়াং ই জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। এমনকি এই সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষ দ্বারা প্রভাবিত হওয়াও উচিত নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। চীন সব সময়ই বাংলাদেশের জন্য বিশ্বস্ত ও অপরিহার্য বন্ধু এবং অংশীদার। বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রশ্নে দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে বাংলাদেশ। ‘এক চীন’ নীতির প্রতি বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করেন খলিলুর রহমান। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করে। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।আগামী মাসের শেষ দিকে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৩ থেকে ২৬ জুন সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করে সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে ঢাকা ও বেইজিং।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত রোববার বেইজিং থেকে সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ করে সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়। এ নিয়ে কাজ করছে ঢাকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং বাস্তবমুখী সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

নাম না প্রকাশের শর্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, জুনের ২৩ তারিখ সফরের প্রস্তাব এসেছে বেইজিং থেকে। নোট ভারবালের মাধ্যমে এ বার্তা দেওয়া হয়েছে। খলিলুর রহমানের সফর নিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় তাঁর দেশ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পারস্পরিক আস্থা জোরদার, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগকে যুক্ত করা এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগের মতো খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও নিবিড় করা হবে। তিনি বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান শিল্প খাতগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এমনকি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি। ওয়াং ই জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়। এমনকি এই সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষ দ্বারা প্রভাবিত হওয়াও উচিত নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। চীন সব সময়ই বাংলাদেশের জন্য বিশ্বস্ত ও অপরিহার্য বন্ধু এবং অংশীদার। বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রশ্নে দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে বাংলাদেশ। ‘এক চীন’ নীতির প্রতি বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করেন খলিলুর রহমান। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করে। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

Facebook Comments Box

Posted ১১:১৩ এএম | মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

(320 বার পঠিত)
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।