মঙ্গলবার ১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

মামদানিকে প্রশ্ন ‘ট্রাম্প কি ফ্যাসিস্ট’, হেসে প্রেসিডেন্টের জবাব, ‘তুমি বলতে পারো’

উত্তর আমেরিকা ডেস্ক   |   রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   141 বার পঠিত

মামদানিকে প্রশ্ন ‘ট্রাম্প কি ফ্যাসিস্ট’, হেসে প্রেসিডেন্টের জবাব, ‘তুমি বলতে পারো’

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্য সম্ভবত এটিই ছিল সবচেয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘কমিউনিস্ট’, ‘জিহাদি’ ও ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করেছিলেন। মামদানিও ট্রাম্পকে ‘স্বৈরাচারী’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’ বলেন।

কিন্তু গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে তাদের প্রায় ৪০ মিনিটের প্রথম মুখোমুখি বহুল প্রত্যাশিত বৈঠকে আলোচনার পর মামদানির অপ্রত্যাশিত প্রশংসা করেন ট্রাম্প। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তীর্যক প্রশ্নের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান।

গতকাল শনিবার দ্য মিডল ইস্ট আই জানায়, ট্রাম্পের ডেস্কের চারপাশে যখন সাংবাদিকরা জড়ো হয়েছিলেন, তখন ডানপাশে দাঁড়ানো ছিলেন মামদানি। দুজনকেই হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘তাঁর বিজয়কে আমি উদযাপন করব।’

তিনি বলেন, ‘আমার কিছু দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে এবং আমরা কিছু বিষয়ে আলোচনা করেছি। সেগুলো কী, তা বলতে চাচ্ছি না। তবে আমি খুব আত্মবিশ্বাসী– তিনি (মামদানি) খুব ভালো কাজ করতে পারবেন।’ ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি– তিনি আসলে কিছু রক্ষণশীল মানুষকে অবাক করে দেবেন।’ মামদানিকে এখনও ‘কমিউনিস্ট’ মনে করেন কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সবাই বদলে যাই।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি আর মামদানিকে ‘জিহাদি’ হিসেবে দেখেন না।

এবার মামদানির পালা আসে। সাংবাদিকরা যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি এখনও ট্রাম্পকে ‘স্বৈরাচারী’ মনে করেন কিনা, তখন প্রেসিডেন্ট হাসিমুখে কথা বলতে শুরু করেন। তিনি মামদানিকে থামিয়ে বলেন, ‘আমাকে স্বৈরাচারীর চেয়েও অনেক খারাপ বলা হয়েছে।’ মামদানি এখনও ট্রাম্পকে ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে বিশ্বাস করেন কিনা, এ প্রশ্নে প্রেসিডেন্ট আবারও হাসিমুখে (মামদানিকে থামিয়ে) বলেন, ‘ঠিক আছে, আপনি এটা বলতে পারেন। এটা সহজ। ব্যাখ্যা করার চেয়েও সহজ।’ মামদানি হাসিমুখে মাথা নাড়িয়ে সায় দেন।

বৈঠকে বেশ কিছু মুহূর্ত ছিল যেখানে গণমাধ্যম কর্মীরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামদানির অবস্থানকে উস্কে দিয়েছিলেন। কিন্তু কৌশলে ট্রাম্প তা হতে দেননি। তিনি মামদানির সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান। এতে দূরত্বের বদলে সৌহার্দ্যের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

বৈঠক প্রসঙ্গে নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, ‘বৈঠকে আমরা মতবিরোধের জায়গাগুলোতে নয়, বরং নিউইয়র্কবাসীর সেবা করার ক্ষেত্রে আমাদের যৌথ উদ্দেশ্যের ওপর আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল। সত্যি বলতে, এটি এমন কিছু যা ১৮ লাখ মানুষের জীবনকে বদলে দিতে পারে, যারা বর্তমানে জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটের সঙ্গে লড়ছেন, যেখানে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করেন।’

Facebook Comments Box

Posted ২:৩২ পিএম | রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

|

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।