বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 328 বার পঠিত

এবার অ্যাপিক্টা আসরে বাংলাদেশ আবারও প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনী অগ্রযাত্রায় নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। কয়েকটি ক্যাটেগরিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ, স্বীকৃতি ও পুরস্কার বৈশ্বিক মঞ্চে দেশের আইসিটি খাতের ধারাবাহিক উন্নয়নকে নির্দেশ করে। ইক্সোরা সল্যুশন্সের ন্যায্যমূল্য ও রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প সেফস্টেপ নিজ নিজ বিভাগে দ্বিতীয় রানারআপের স্বীকৃতি পেয়েছে।
অন্যদিকে, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা প্রকল্প রাডসেফ মেরিট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। স্টার্টআপ খাতেও এবার সাফল্য রয়েছে। মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী ও অটোমেটেডে এমটিবিএম প্রতিষ্ঠাতা ফাতিমা আশরাফ তাইওয়ানের ন্যাশনাল ইয়াং মিং চিয়াও তুং ইউনিভার্সিটি আয়োজিত মেগা ডে স্টার্টআপ পিচে অংশ নিয়ে সিলভার প্রাইজ ও পাঁচ হাজার ডলার পুরস্কার অর্জন করেন, যা বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
শিক্ষার্থী পর্যায়ে চলতি বছরে অ্যাপিক্টার কোড জাজের কর্মশালা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মেহরান ইসলাম মাহিম। এতে প্রথম রানারআপ হন বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মুনেম শাহরিয়ার ইসলাম সামন্ত।
তাইওয়ানের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাও বি-খিম বলেন, অ্যাপিক্টা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম; যা উদ্ভাবন, অংশীদারিত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়নে দেশভিত্তিক সহযোগিতা জোরালো করেছে।
তাইওয়ানের অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী শেন জং-চিন বলেন, সব ক্যাটেগরিতে বৈশ্বিক স্মার্ট প্রযুক্তির প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। এতে অংশ নেওয়া দেশের জন্য দ্রুত বর্ধনশীল বাজারে
প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা ও অ্যাপিক্টা নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, অ্যাপিক্টাতে নিয়মিত অংশ নেওয়া বাংলাদেশের জন্য শুধু পুরস্কারের বিষয় নয়; বরং বৈশ্বিক মানদণ্ডে নিজেদের সক্ষমতা মূল্যায়নের দিকনির্দেশনা দেয়।
প্রসঙ্গত, সৈয়দ আলমাস কবীর ২০১৭ সাল থেকে অ্যাপিক্টার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অ্যাপিক্টার ইকোনমিক কোঅর্ডিনেটর মুন এম রাজীব বলেন, বাংলাদেশ এখন আর শুধু অংশ নেওয়া দেশ হিসেবে নয়; বরং আত্মবিশ্বাসীও উদ্ভাবনী শক্তিতে সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এবার বাংলাদেশ থেকে ২০টি প্রকল্প ও ৪৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এ আসরে অংশ নেয়। ঢাবির অধ্যাপক বি এম মাইনুল হোসেন ও আয়আল কর্পের চেয়ারম্যান জয়া কবীর বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (বিন) সেক্রেটারিয়েট থেকে তানজিন প্রীতি প্রতিনিধিত্ব করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ ও শিল্প খাতের প্রতিযোগীরা এতে অংশ নেয়।
Posted ১২:৪৯ পিএম | বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।