বিশ্ব ডেস্ক | শনিবার, ০৯ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | 2 বার পঠিত

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অবশেষে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা-রাজনীতিক সি জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়)। বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ায় বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগামের (টিভিকে) জোটের আসনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০-এ। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ আসন। এর মাধ্যমে বিজয়ের ‘সংখ্যার দুঃস্বপ্ন’ কাটল, প্রশস্ত হলো সরকার গঠনের পথ।
ভিসিকের পক্ষ থেকে গভর্নর আর ভি আর্লেকারের কাছে পাঠানো সমর্থনপত্রে বলা হয়েছে, তামিলনাড়ুতে স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক সরকার নিশ্চিত করতেই তারা থালাপতি বিজয়কে সমর্থন দিচ্ছে। খবর এনডিটিভি
চিঠিতে ভিসিকের আইনসভা দলের নেতা ভান্নি আরাসু বলেন, দলীয় সভাপতি ড. থোল থিরুমাভালাভানের নির্দেশনায় তাদের দুই বিধায়ক টিভিকে এবং দলের নেতা সি জোসেফ বিজয়কে সরকার গঠনে সমর্থন দিচ্ছেন। এখন বিজয়ের পরবর্তী পদক্ষেপ হলো সমর্থনকারী বিধায়কদের চিঠি গভর্নরের কাছে জমা দিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানানো। সোমবার গভর্নরের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি।
এর আগে বিজয়ের পক্ষে ছিলেন ১১৬ জন নবনির্বাচিত বিধায়ক। তাদের মধ্যে কংগ্রেসের পাঁচজন এবং বাম দলগুলোর চারজন বিধায়ক ছিলেন। ভিসিকের দুই বিধায়কের সমর্থন যোগ হওয়ায় সেই সংখ্যা ১১৮-এ পৌঁছায়। পরে আইইউএমএলের সমর্থনে জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২০। বাম দলগুলো নিঃশর্ত সমর্থন দিলেও কংগ্রেসের সমর্থন কিছু শর্তসাপেক্ষ বলে জানা গেছে। কংগ্রেস দুটি মন্ত্রণালয় চাইছে।
ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিন সরকার গঠন সংকট এড়াতে ভিসিকে ও বাম দলগুলোর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জোটসঙ্গীরা সরকার গঠনে সমর্থন দিলেও নীতিগতভাবে তারা ডিএমকে নেতৃত্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ জোটেই থাকবে। তবে স্ট্যালিন অভিযোগ করেন, কংগ্রেসের বিজয়ী বিধায়করা কোনো আলোচনা ছাড়াই ডিএমকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।
গত বুধবার থেকে একাধিকবার রাজ্যভবনে গেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে না পারায় বিজয়কে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাননি গভর্নর। গভর্নরের দপ্তর থেকে ১১৮ বিধায়কের সমর্থনপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। শনিবার ভিসিকে প্রধান থিরুমাভালাভান ও আইইউএমএল নেতারা টিভিকে নেতাদের হাতে সমর্থনপত্র তুলে দিলে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হয়।
মাত্র দুই বছর আগে গঠিত টিভিকে এবারের নির্বাচনে ১০৮ আসন জিতে একক বৃহত্তম দলে পরিণত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দীর্ঘ ৬২ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্যে বড় ধাক্কা লাগল। নির্বাচনে ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি আসন, এআইএডিএমকে ৪৭টি, কংগ্রেস ৫টি এবং পিএমকে ৪টি আসন। ভিসিকে, আইইউএমএল, সিপিআই ও সিপিএম পেয়েছে দুটি করে আসন। আর বিজেপি, ডিএমডিকে ও এএমএমকে পেয়েছে একটি করে আসন।
Posted ১০:২৭ এএম | শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।