সোমবার ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

লবণ মাঠে আমনের বাম্পার ফলন, কৃষি খাতে নতুন মাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   601 বার পঠিত

লবণ মাঠে আমনের বাম্পার ফলন, কৃষি খাতে নতুন মাত্রা

কক্সবাজার টেকনাফের লবণের মাঠে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। যার কারণে আনন্দে আত্মাহারা টেকনাফের কৃষকেরা। এবার মৌসুম ভাল থাকায় বাম্পার ফলেছে ফলনে। দক্ষিণা বাতাসে দুলছে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন। এটি কৃষি খাতে যেন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যেখানে লবণের মাঠে কোনো প্রকার ধান হতো না, সেখানে ধান হওয়া মানে কক্সবাজার তথা টেকনাফবাসীর জন্য আনন্দের বিষয় ও ধান উৎপাদনে নতুন একটি মাত্রা যোগ হলো বলে মনে করেছেন কৃষকেরা।  আগামী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে সোনালি ধান কেটে ঘরে তোলার উৎসবের অপেক্ষায় তারা।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, টেকনাফ উপজেলার মোট ২২শ হেক্টর জমিতে লবণের চাষ হয়। যেখানে কোনো প্রকার ধানের চাষ হতো না। শুধু লবণের চাষ শেষ হলে পরিত্যক্ত অবস্থায় থকত মাসের পর মাস উক্ত জমি।  কিন্তু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় স্থানীয় কৃষকদের মাধ্যমে বর্তমানে টেকনাফে ৩০০ হেক্টর লবণ মাঠের জমিতে ব্রি ধান ৭৫ ও বিনা ধান ১৭ চাষ করা হয়েছে। যাতে প্রচুর পরিমাণ ধান ধরেছে। এতে টেকনাফের কৃষকেরা যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি কৃষকদের চাহিদা ও পূরণ হচ্ছে। একই জমিতে লবণ ও ধান চাষ যেন নতুন মাত্রা যোগ করেছে টেকনাফে। তাই উপজেলা কৃষি অফিস থেকে অপরাপর পরিত্যক্ত লবণ মাঠে ধান চাষ করতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে রংগীখালী ৭নং ওয়ার্ডের কৃষক নজির আহমদ জানান, এক সময়ে লবণের মাঠে শুধু লবণ চাষ ছাড়া ধান চাষ হতো না। এখন লবণের মাঠ শেষ হলে ওই জমিতে ধানও চাষ হচ্ছে। যার কারণে আমরা একই জমিতে দুই ভিন্ন চাষ করতে পারছি। তবে উপজেলা কৃষি অফিসের একটু সহযোগিতা থাকলে আরও ভালো ধান উৎপাদন করতে পারতাম।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. আলী জানান, আমাদের টেকনাফের প্রচুর লবণের মাঠ যা মৌসুম শেষে পরিত্যক্ত বা খালি থাকে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চিহ্নিত করে উক্ত জমিগুলোকে ধান চাষের আওতায় আনা গেলে যেমন উপকৃত হবে এলাকাবাসী, তেমনি দেশের কৃষিখাতেও যোগান বাড়বে।

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, টেকনাফ  উপজেলার লবণ মাঠে ধান চাষীদের উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সব সময় সহায়তা করা হয়েছে, যার কারণে উপজেলার প্রায় ৩০০ হেক্টর লবণ মাঠে ব্রিধান ৭৫, বিনা ধান১৭ চাষ হয়েছে। আগামীতে আমাদের পক্ষ থেকে কৃষকদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box

Posted ১০:৫৬ এএম | রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।