ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে
শিরোনাম >>

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীরা ফ্লাইট বাতিলের আতঙ্কে

বিশ্ব ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   104 বার পঠিত

মক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীরা ফ্লাইট বাতিলের আতঙ্কে

বাংলাদেশ থেকে মক্কায় ওমরাহ হজ পালন করতে আসা মুসল্লিদের মধ্যে ফ্লাইট বাতিল আতঙ্ক বিরাজ করছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন ওমানে হামলা হওয়ার পর এক দিন বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ছিল। এর পর থেকে ওমান-জেদ্দা-বাংলাদেশ আকাশপথ ফের সচল হয়। এ ছাড়া সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা থেকে বাংলাদেশে ফ্লাইট চলাচল এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় রিয়াদ-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে।

যুদ্ধের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়ায় কখন আবার বাংলাদেশ-জেদ্দা-ওমান এবং জেদ্দা-বাংলাদেশ রুটের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়, সেই শঙ্কা কাজ করছে ওমরাহ হজ পালনে যাওয়া মুসল্লিদের মধ্যে। ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের বড় কোনো প্রভাব মক্কা-মদিনায় নেই। তবে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশের বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় দিন দিন মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীর সংখ্যা কমছে। রমজানের প্রথম দিকে এক মাস আগে বুকিং দিয়েও যেখানে হোটেলে সিট পাওয়া যাচ্ছিল না, এখন সেখানে হোটেলের অনেক কক্ষ খালি থাকছে। হজযাত্রী কমতে থাকায় হোটেল ব্যবসায়ীরা সংকটে পড়েছেন।

জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ব্যারিস্টার শাখাওয়াত হোসেন বলেন, মক্কা-মদিনা সৌদি আরবের পশ্চিম দিকে হওয়ায় এখানে যুদ্ধের কোনো প্রভাব নেই। বাংলাদেশের সঙ্গে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা, সৌদি এয়ারলাইন্স চলাচল করছে। মাসকাট হয়েও কানেক্টিং ফ্লাইট চলছে। তবে রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের সঙ্গে ওই রুটে বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশের যাত্রীদের আতঙ্কিত না হয়ে মক্কায় বাংলাদেশি হজক্যাম্পে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে জেদ্দা কনসাল অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন যে কোনো বাংলাদেশি যাত্রী।

মক্কার পবিত্র কাবা শরিফ ঘিরে আশপাশে ছোট-বড় সহস্রাধিক হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে রমজানের প্রথম দিকে কোনো কক্ষ খালি ছিল না। তবে যুদ্ধ শুরুর পর বিভিন্ন দেশ থেকে একের পর এক ফ্লাইট বন্ধ হতে থাকে। সেই সঙ্গে হাজির সংখ্যাও কমতে থাকে। মক্কার মিসফালাহ এলাকার হোটেল মালিক মো. মিজান বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে রমজানের প্রথম দিকে রেকর্ড পরিমাণ পাঁচ লাখের বেশি মুসল্লি ছিল মক্কায়। এখন হাজির চাপ নেই। অনেক রুম খালি। ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ।

Facebook Comments Box

Posted ১০:৩০ এএম | বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।