বিশ্ব ডেস্ক | রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 61 বার পঠিত

ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনুমতি দেওয়ার পরপরই এই অভিযান শুরু হবে। দুজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ওই কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, অনুমোদন পেলে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভয়াবহ হতে পারে। অঞ্চলজুড়েও সংঘাত গুরুতর হতে পারে। ওমানের মধ্যস্থতায় আগামী মঙ্গলবার দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন করে বৈঠক হওয়ার কথা। এর আগে এমন তথ্য সামনে এলো।
প্রস্তুতির বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় এ নিয়ে তথ্য দেওয়া মার্কিন কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খুশি হবেন। কিন্তু এই চুক্তি করাটা অত্যন্ত কঠিন।
মার্কিন কর্মকর্তারা গত শুক্রবার জানান, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে। এর পাশাপাশি তারা কয়েক হাজার অতিরিক্ত সৈন্যের সঙ্গে যুদ্ধবিমান, গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জাম মোতায়েন করছে। এগুলো আক্রমণ চালানো এবং প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সক্ষম।
নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে শুক্রবার এক সামরিক অনুষ্ঠানের পর ট্রাম্পের কথাতেও ইরানের সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে এটিই হবে সবচেয়ে ভালো ঘটনা।’ ইরানের ক্ষমতায় তিনি কাকে দেখতে চান সে বিষয়ে বিস্তারিত না জানালেও বলেন, ‘সেখানে লোক আছে।’ ট্রাম্প বলেন, ‘৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথা, কথা আর কথাই বলে আসছে।’
মধ্যপ্রাচ্যে এখন পর্যন্ত মোতায়েনকৃত মার্কিন সামরিক শক্তি মূলত বিমান ও নৌ বাহিনীর মাধ্যমে হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে গত মাসে ভেনেজুয়েলায় এক ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনা- ইঙ্গিত দিচ্ছে, ট্রাম্প এমন অভিযানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতেও ‘স্পেশাল ফোর্সের’ ওপর নির্ভর করবেন।
Posted ১২:০৬ পিএম | রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।