বুধবার ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

দুই বছরের অর্থনৈতিক পথরেখা ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   2 বার পঠিত

দুই বছরের অর্থনৈতিক পথরেখা ঘোষণা

বৈশ্বিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরায় সচল করতে দুই বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা ও সমর্থন চাওয়া হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের তিন মাসের রিজার্ভ করার পাশাপাশি ব্যবসায় সহজীকরণ, ব্যবসা খরচ কমানো এবং রপ্তানি আয় বাড়াতে প্রয়োজনীয় সব নীতি-সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর বনানী শেরাটন হোটেলে দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বৈশ্বিক অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের পথরেখা’ শীর্ষক নীতি আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি আরও জানান, কর্মসংস্থান বাড়াতে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সব কিছুই করা হবে। রপ্তানি বৈচিত্র্য বাড়াতে তৈরি পোশাক খাতের মতো অন্য যে কোনো খাতকে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুবিধা দিতে সরকার প্রস্তুত বলে তাঁর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সংস্কার
আমির খসরু বলেন, বর্তমানে অর্থনীতি বৈশ্বিকসহ নানা কারণে চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস। মানুষের প্রত্যাশা বেশি। বর্তমানে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমে আসা এবং মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দেশে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। এর কারণ বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ নেই। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি, মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কম।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ৪০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া রেখে গেছে বিগত সরকার। বর্তমান সরকারের জন্য প্রথম বছরটি খুবই কঠিন হবে। তবে দুই বছর পর অর্থনীতি ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে কর নীতি ও বাস্তবায়ন বিভাগকে আলাদা করা হবে।
এনবিআর সংস্কারে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি প্রয়োজনের অর্ধেক উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এভাবে হবে না। কর নীতি আমলারা করলে চলবে না। করনীতি তারাই করবেন, যারা দেশের প্রেক্ষাপট বোঝেন; ব্যবসা ও মানুষের কষ্ট বোঝেন। তাদের ওই নীতি হুবহু সরকার বাস্তবায়ন করবে।

উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে অনিয়ম ও অপচয় রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে অনেক প্রকল্প কেবল দুর্নীতির উদ্দেশ্যে বা রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মানুষের কোনো উপকারে আসছে না।
অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এবং সরকারের নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ কয়েকশ অতিথি অংশ নেন।

Facebook Comments Box

Posted ৩:৫৫ এএম | মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

(309 বার পঠিত)
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।