বিশ্ব ডেস্ক | বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 8 বার পঠিত

তাইওয়ানের নিকটবর্তী একটি ছোট দ্বীপে জাপান ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এই প্রক্রিয়া আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, টোকিওর এমন ঘোষণায় বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জানিয়েছেন, ২০৩১ সালের মার্চের মধ্যে জাপানের পশ্চিমের দ্বীপ ইয়োনাগুনিতে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ যোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিমান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম।
সাংবাদিকদের জাপানের এই মন্ত্রী বলেন, ‘সুযোগ-সুবিধা প্রস্তুতির অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে ২০৩০ অর্থবছরকে লক্ষ্য রেখে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’ সম্প্রতি তাইওয়ানের নিরাপত্তা নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মন্তব্যের জেরে টোকিও-বেইজিংয়ের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দিলেন।
গত বছরের নভেম্বরে তাকাইচি পার্লামেন্টে এমপিদের উদ্দেশে বলেছিলেন, তাইওয়ানের ওপর চীনের কোনো হামলা যদি জাপানের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তবে তাতে জাপানের বাহিনী জড়িয়ে পড়তে পারে।
তাকাইচির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চীন তাদের নাগরিকদের জাপান ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করছে। পাশাপাশি, জাপানি কোম্পানিগুলোর কাছে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য রপ্তানির ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। চীনা কর্মকর্তাদের দাবি, এই কোম্পানিগুলো জাপানের ‘পুনঃসামরিকীকরণ’ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করছে।
তাইওয়ানকে চীন নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে। সম্প্রতি দ্বীপটিকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে একত্রীকরণের নীতি নিয়েছে বেইজিং। অঞ্চলটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও নাকচ করেনি চীন।
Posted ৩:০৮ পিএম | বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।