শুক্রবার ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

জাতীয় ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   7 বার পঠিত

সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।

পিবিআইর একটি সূত্র জানায়, হাফিজুর রহমানকে পিবিআই ঢাকার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর পিবিআই তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করে। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোমিনুল হক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাকে ঢাকার একটি ল্যাবে নিয়ে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিএনএ বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই কঠোর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা নেওয়া হয়।’ রিমান্ড শেষে শনিবার কিংবা রোববার হাফিজুর রহমানকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হবে বলে জানান তিনি। তবে রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তরিকুল ইসলাম জানান, এই মামলায় সন্দেহভাজন অন্য দুইজনকে খোঁজা হচ্ছে।

এরআগে, ২০১৭ সালের মে মাসে সিআইডির তদন্ত টিম তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনা পরীক্ষা করে তিনজনের শুক্রাণু পায়। তবে এগুলো সন্দেহভাজন কারো ডিএনএর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। গত ৬ এপ্রিল মামলায় তিন সন্দেহভাজন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার (ক্রস-ম্যাচ) জন্য আদালতে আবেদন করে পিবিআই। পরে আদালতের আদেশ পেয়ে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পিবিআই।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা-পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় মামলাটি তদন্ত করে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পান পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, ‘১০ বছর পুরো দেশবাসী মেয়েটার বিচারের জন্য অপেক্ষায়। জড়িতদের নাম শুরু থেকেই বলে আসছি। বিচার প্রভাবিত করতে দুই দফা ময়নাতদন্ত রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি।’

Facebook Comments Box
×
News Image
বিস্তারিত কমেন্টে…

Posted ৩:১৭ পিএম | বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

(293 বার পঠিত)
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদ এবং তথ্যে আপনার প্রয়োজন মেটাতে

NSM Moyeenul Hasan Sajal

Editor & Publisher
Phone: +1(347)6598410
Email: protidinkar@gmail.com, editor@protidinkar.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।