জাতীয় ডেস্ক | বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 7 বার পঠিত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অসুস্থ অবস্থায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন আছেন আরও একজন।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন রাজবাড়ী শহরের ভবানিপুর এলাকার আনোয়ার হেসেনের মেয়ে রেহেনা বেগম (৫২), কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন এলাকার বাসিন্দা মর্জিনা বেগম (৫৫)। তিনি পল্লী বিদ্যুতে চাকরি করতেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন নুসরাত (২৯) নামের এক নারী। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক।
ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রোমানা বলেন, হাসপাতালে দুজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে এবং আরও ৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে বাসটি ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। ইতিমধ্যে বাসের অবস্থান শনাক্ত করা গেছে বলে ঘাট সূত্রে জানা গেছে। তবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির কর্মচারী মো. রাজু আহমেদ জানান, পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা একটি ফেরি ৩ নম্বর ঘাটে আনলোড হওয়ার সময় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি সাইড করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা সাকিব হোসেন, আব্দুল আজিজ, দেলোয়ার হোসেন ও শিশু আলিফ জানান, বাসটিতে নারী-শিশুসহ অনেক যাত্রী ছিলেন। পন্টুনে ওঠার আগে ৪-৫ জন যাত্রী নেমে গেলেও বাসটি নদীতে পড়ে গেলে স্থানীয়রা ৬-৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বাকিরা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
Posted ৬:৩৮ পিএম | বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।