জাতীয় ডেস্ক | বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | 23 বার পঠিত

মোবাইল ফোন টাওয়ারের বিকিরণের (রেডিয়েশন) মাধ্যমে কী ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, তা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে গবেষণা করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
জনস্বার্থে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন। পাশাপাশি পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণের মাধ্যমে মানুষ, পশু, পাখি, গাছপালার ক্ষতি হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। এ সংক্রান্ত খবর যুক্ত করে জনস্বার্থে রিট করেছে এইচআরপিবি। জারি করা রুলের শুনানির পর ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল ‘যথাযথ’ ঘোষণা করে রায় দেন। রায়ে বিটিআরসিকে জরিপ করে বর্তমান মাত্রা কতটুকু কমানো যায়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত রায়ে জনসমাগম স্থলে (স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আদালত পাড়াসহ বিভিন্ন জায়গা) যেন এ ধরনের টাওয়ার না বসানো হয়, গাইডলাইনে তা অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেন। এই রায়ের পরে বিটিআরসি কমিটি করে আগের মাত্রা বহাল রয়েছে তুলে ধরে প্রতিবেদন দাখিল করে।
তিনি বলেন, বিটিআরসির প্রতিবেদন নিয়ে এইচআরপিবি আপত্তি তোলে। সেখানে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে বিকিরণের মাত্রা ১০ ভাগের এক ভাগ করার যে ব্যবস্থা প্রচলিত আছে, সে অনুসারে বাংলাদেশেও কমানোর আবেদন জানানো হয়। এ ব্যাপারে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের মতামত শোনার আবেদন জানানো হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে বিশেষজ্ঞ মত শোনার আদেশ দেন হাইকোর্ট।
মনজিল মোরসেদ জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান আদালতে এসে বক্তব্য দেন এবং ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল একটি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন। যেখানে মোবাইল টাওয়ার থেকে রেডিয়েশনের মাত্রা কমানোর সুপারিশ করেন তিনি। একই সঙ্গে এই ধরনের মাত্রা কী পরিমাণ ক্ষতি করছে, সে ব্যাপারে দেশে একটি গবেষণার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, আজ এ বিষয়ে শুনানির পর আদালত বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসানের রিপোর্ট অনুসারে দেশের মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ থেকে কী ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে, তা নির্ণয়ের জন্য তার প্রস্তাবিত মত অনুসারে বিটিআরসিকে একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে গবেষণা করে প্রতিবেদন তৈরি করে আদালতে ৬ মাসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
Posted ৬:৩২ পিএম | বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Reporter
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।