জাতীয় ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | 15 বার পঠিত

কিছুটা কমে আবারও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে ডিম, ছোলাসহ কয়েকটি পণ্যের দাম কমেছে। এদিকে সরবরাহে কিছুটা টান পড়েছে বোতলজাত ভোজ্যতেলের।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা বাড়ার কারণে ব্রয়লারের দাম বাড়ছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আমদানি করা নিত্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, আগারগাঁওসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
রোজা শুরু হওয়ার আগের দিন ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। তবে সপ্তাহখানেক পরই দাম কমে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় নেমে আসে। দুদিন ধরে ফের বাড়ছে দাম। গতকাল প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা দরে। পাশাপাশি সোনালি জাতের মুরগির দামও বেড়েছে। গতকাল এ ধরনের মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে।
তেজকুনিপাড়া এলাকার মুরগির ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, বাজারে এখন নতুন সবজির সরবরাহ নেই। সে কারণে মুরগির চাহিদা বাড়তে থাকবে। ফলে ঈদের আগে মুরগির দাম কমার সম্ভাবনা কম।
মুরগির বাজারের বিপরীত চিত্র রয়েছে ডিমের বাজারে। গত সপ্তাহের চেয়ে দাম আরও কমে ফার্মের সাদা ডিম প্রতি ডজন ৮৫ থেকে ৯০ আর বাদামি ডিম ১০০ থেকে ১০৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দাম কমার তালিকায় রয়েছে ছোলা। চাহিদা কমার কারণে ছোলার কেজি নেমেছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। রোজার শুরুতে ছোলার কেজি বিক্রি হয়েছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে।
বাজারে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের সরবরাহ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। ডিলার পর্যায়ে লিটারে তিন টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তবে ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়েনি। এ ছাড়া পাইকারিতে দাম বাড়ার কারণে কোনো কোনো বাজারে খোলা সয়াবিন লিটারে দুই-তিন টাকা বেশি নিচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আমদানি করা হয় এমন নিত্যপণ্যের দামে প্রভাব পড়তে পারে।
কমেছে লেবু ও বেগুনের দাম
সরবরাহ বাড়ার কারণে বেগুনের দর কিছুটা কমেছে। রোজার শুরুতে ভালো মানের লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। যা গতকাল বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। তবে কিছুটা নিম্নমানের বেগুন কেনা যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। লেবুর দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। রোজার আগে থেকেই মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা। দাম কমে গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
পেঁয়াজের দাম আরও কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। তবে রসুনের দর বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। দেশি রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ এবং আমদানি করা রসুন ২০০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
Posted ১০:৪১ এএম | বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।