জেলা প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 4 বার পঠিত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় টিকটকে পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের দাবিতে স্কুলছাত্রের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন এক গৃহবধূ। তবে পরিবারের আপত্তির মুখে কীটনাশক পান করেন তাঁরা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় দুজনেরই।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর গ্রাম থেকে স্কুলছাত্র আল আমিন মিয়া (১৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আল আমিন ও গৃহবধূ তাসলিমা আক্তার তাজমিনের (২৫) মৃত্যু হয়।
নিহত আল আমিন পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের আজাদুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অন্যদিকে, তাসলিমা দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে। তিনি পার্শ্ববর্তী পদুমশহর জোরডোবা গ্রামের ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী। তাঁর এক সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিকটকের মাধ্যমে আল আমিনের সঙ্গে তাসলিমার পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে গত রোববার (১১ অক্টোবর) বিয়ের দাবিতে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন তাসলিমা। তবে বয়সের ব্যবধান ও সামাজিক বাস্তবতার কারণে পরিবার তাঁদের সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পরদিন সোমবার জমিতে ব্যবহারের জন্য রাখা কীটনাশক (গ্যাস ট্যাবলেট) পান করেন তাঁরা। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত দুজনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়।
আল আমিনের স্বজনেরা তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। অন্যদিকে, তাসলিমার মরদেহ হাসপাতালে ছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ পূর্ব রাঘবপুর গ্রাম থেকে আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Posted ৬:১৩ পিএম | মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।